বর্তমান স্থান: মূল পাতা > সংস্কৃতি > প্রধান লেখা

দৌড়াও, যত দূর পারো তত দূর…

2017-01-05 14:58:21
851541_2017010514545278229500.jpg

‘ফরেস্ট গাম্প' চলচ্চিত্রে এক জন্মগত মানসিক প্রতিবন্ধীর নিজের আত্মোন্নতির ওপর নির্ভর করে কয়েকটি বিস্ময় সৃষ্টি করার কাহিনী তুলে ধরা হয়। ছোটবেলায় আইকিউ ভালো না হওয়ায় গাম্প মাঝেমাঝে সহপাঠীদের নির্যাতনের শিকার হয়। জেনি নামে তার এক বান্ধবী গাম্পকে বলে, তুমি দৌড়াও, যতদূর পারো, তত দূর দৌড়াও'।

এভাবে গাম্প দৌড়াতে দৌড়াতে বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে এক একটি বিস্ময় সৃষ্টি করেন। অবশেষে যখন জেনি চিরদিনের জন্য তার কাছ থেকে চলে যান, তখন গাম্প জীবনের সবচেয়ে লম্বা দৌড় শুরু করেন। তিনি টানা ৩ বছর ২ মাস ১৪ দিন ১৬ ঘণ্টা দৌড়ান এবং গোটা যুক্তরাষ্ট্র পার করে ফেলেন।

বলা যায়, দৌড় হলো ‘ফরেস্ট গাম্প' চলচ্চিত্রের আত্মা। চলচ্চিত্র শেষে গাম্প একা একা রাস্তায় দৌড়ান, তারপর লোকজন পৃথক পৃথকভাবে তার সঙ্গে দৌড়াতে শুরু করেন।

আসলে সে সময় মোবাইল ইন্টারনেট ছিলো না, উইচ্যাট ছিলো না, দৌড় সম্পর্কিত নানা ধরনের অ্যাপসও ছিলো না। কেবল গাম্পের দৌড়ানো দেখে লোকজন তার সঙ্গে দৌড়াতে শুরু করেন।

হয়তো এখানে অনেকের মনে এমন প্রশ্ন সৃষ্টি হতে পারে, চলচ্চিত্র তো আর সত্যিকারের জীবন নয়। দৌড়ের কি এত বড় জাদুশক্তি আছে?

হ্যাঁ, আছে। যারা দৌড়াতে পছন্দ করেন, তারা বলতে পারেন, দৌড়ের অদ্ভুত আকর্ষণীয় শক্তি আছে। দৌড় হলো সবচেয়ে ভালো ব্যায়াম এবং নানা ধরনের রোগ প্রতিরোধ করতে সক্ষম। তবে বাস্তব অবস্থা হলো অধিকাংশ লোক মনে করেন, অভ্যাস হিসেবে নিয়মিত দৌড়ানো সত্যিই অনেক কঠিন ব্যাপার। গত বিশ বছরের বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত থেকে জানা যায়, এ সময় থেকে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের বিভিন্ন ধরনের সংস্থা জনগণকে শরীর চর্চা করার আহ্বান জানিয়ে আসছে, তবে এর কার্যকরিতা খুব কম। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইন্টারনেটের কারণে দৌড়ে অংশগ্রহণকারী মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। যেমন, উইচ্যাটে জনগণ নিজের দৌড়ের গতি, সময় এবং লাইন শো করেন, ভার্চুয়াল জগতে একটি পদক অর্জন করার জন্য প্রতিদিন দৌড়ান প্রভৃতি।


খবর :
সর্বশেষ খবর চীন বিশ্ব দক্ষিণ এশিয়া

চীনা ভাষা শিখুন সংস্কৃতি জীবন বাণিজ্য চীনের বিশ্বকোষ